Friday, May 31, 2024
- Advertisment -spot_img

JHARGRAM এ নার্সের অস্বাভাবিক মৃত্যু কে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য, তদন্তে পুলিশ

JHARGRAM এ নার্সের অস্বাভাবিক মৃত্যু কে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য, তদন্তে পুলিশ

জঙ্গলমহল বার্তা, ঝাড়গ্রাম: এক নার্সের অস্বাভাবিক মৃত্যু কে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ালো ঝাড়গ্রাম পৌরসভার দশ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোড়াধরা এলাকায় । সূত্রের খবর মৃত নার্সের নাম সাগরিকা ভঞ্জ। বছর ২৩ এর ওই নার্সের বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার নারায়ণগড় এলাকায়। তিনি মাত্র দুই বছর আগে ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর দুই ব্লকের তপসিয়া হাসপাতাল নার্সের চাকরিতে যোগদেন। ওই হাসপাতালে তিনি  কর্মরত ছিলেন। ট্রেনিং এর জন্য তিনি ঝাড়গ্রামের ঘোড়াধরা এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেন।

রবিবার রাতে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায় তার প্রতিবেশীরা। তারা তৎক্ষণাৎ ফোন করেন ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ কে।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে ঝুলন্ত মৃত দেহটি উদ্ধার করে ঝাড়্গ্রাম থানার পুলিশ। তার দুই হাতের শিরা কাটা ছিল এবং নেশার ওষুধ ছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। মৃতের ভাই দেবাশীষ ভঞ্জ এক্ষেত্রে অভিযোগ করে বলেন যে, তার দিদি আত্মহত্যা করতেই পারে না ।তাকে খুন করা হয়েছে।

ঝাড়গ্রাম থানায় এবিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে । পুলিশ মৃতদেহটিকে উদ্ধার করে সোমবার ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশালিটি  হাসপাতালের মর্গে  ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়। এবং রিপোর্ট আসার পর সেই মতো ওই ঘটনার তদন্ত শুরু করেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঝাড়গ্রাম শহরের ঘোড়াধরা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্কের বহিঃপ্রকাশ লক্ষ্য করা যায়। কারণ কেবল আত্মহত্যাতেই থেমে নেই এই মৃত্যুর ঘটনা।

একের পর এক প্রশ্ন উঠে আসতে থাকে এই মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে। যেমন, পুলিশ সূত্রে এবং বাড়ির লোকের বক্তব্য অনুযায়ী সাগরিকার দেহ, ওষুধ সহ তাকে হাতের শিরা কাটা অবস্থায় গলায় দড়ি দিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে,  একজন মানুষ আত্মহত্যা করতে গেলে একসাথে এই তিনটি কাজ কিভাবে করতে পারে? বা হঠাৎই তিনি এমন কঠিন পদক্ষেপ নিতে গেলেনই বা কেন? এত ক্ষোভ কেনই বা জন্ম নিল তার মধ্যে? যে এতটা নিষ্ঠুর হতে হল তাকে?

ঘটনার পর মৃতদেহ তৎপরতার সাথে মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। তবে তপসিয়ার বিএমওএইচ উপস্থিত থাকলেও অন্য হাসপাতালে বিএমওএইচের   তৎপরতার কারণ কি? এই বিষয়েও প্রশ্ন তুললে এক প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী ওই  ডাক্তার কারো সাথে টেলিফোনে কোন একটা বিষয় থেকে যেন বেরোনোর পরামর্শ নিচ্ছিলেন। ডাক্তারেরই বা এমন সময় এমন পরামর্শ চাওয়ার কারণ কি? যেখানে একজন নার্সের মৃত্যুর ঘটনা এবং শুধুই আত্মহত্যা নয় যার পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে একাধিক প্রশ্ন সেখানে অন্য হাসপাতালের ডাক্তারের এমন তৎপরতা সত্যিই নজরকাড়া।

হাসপাতাল চত্বরে তার কর্মীদের মধ্যে এও আলোচনা হতে শোনা যায় সেদিকে যে, এই ঘটনার পেছনের তিনি কোন না কোনভাবে নিশ্চয়ই যুক্ত। পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্তের ভার নিজ হাতে নিয়েছেন।

RELATED ARTICLES

कोई जवाब दें

कृपया अपनी टिप्पणी दर्ज करें!
कृपया अपना नाम यहाँ दर्ज करें

spot_img

Most Popular

Recent Comments