Thursday, June 13, 2024
- Advertisment -spot_img

নষ্ট করা হচ্ছে ঐতিহাসিক স্মৃতি, নীলকুঠিকে ফের পর্যটন কেন্দ্র করার দাবিতে স্থানীয়রা

টুম্পা অধিকারী, উত্তর ২8 পরগনা:  নীলকুঠি জায়গা দখল করে রাখা হয়েছে। নষ্ট করা হচ্ছে ঐতিহাসিক স্মৃতি। সেই নীলকুঠি পুনরুদ্ধার করে পর্যটন কেন্দ্রের হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে সরব হলেন উত্তর ২8 পরগনার গোপালনগর থানার মোল্লাহাটের স্থানীয় বাসিন্দারা। উত্তর ২8 পরগনার গোপালনগর থানার মোল্লাহাটে নীলকররা ইংরেজ আমলে নীল চাষি দের দিয়ে বিঘার উপর উপর বিঘা জমিতে নীলচাষ করতো। যেসব চাষীরা চাষ করতে চাইতো না তাদের কে আটকে রাখতো। এই রকম ইতিহাসে কয়েক বছরের আর সেই জমি তে সরর্দার পরিবার দখল নিয়ে থাকছে বলে এমন অভিযোগ।

নষ্ট করা হচ্ছে ঐতিহাসিক স্মৃতি, নীলকুঠিকে ফের পর্যটন কেন্দ্র করার দাবিতে স্থানীয়রা

স্থানীয়দের দাবি এই ঐতিহাসিক নীলকুটিকে পুনরায় পর্যটন কেন্দ্র করতে হবে। গোপালনগর থানার মোল্লাহাট গ্রামে ইংরেজ আমল থেকে নীলকুঠি রয়েছে। সেই জমিতে বসবাস করেন তারক সরর্দার ও দীপা সরর্দার। বৃহস্পতিবার বেলা ১১ নাগাদ এলাকার বাসিন্দারা ওই নীলকুঠি এলাকায় যান৷ বিক্ষোভ করেন স্থানীয় কয়েকজন নীলকুঠি এলাকায় গাছপালা কেটে পরিষ্কার করেন৷ বাসিন্দাদের অভিযোগ, নীলকুঠি প্রায় সাড়ে সাত বিঘা জমির উপর থাকা বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্মৃতি সরর্দারর পরিবার নষ্ট করে ফেলেছে এবং ট্রাকটর ও Jcb এনে মাটি কেটে বিক্রি করতে যাচ্ছিলো গ্রামের বাসিন্দারা বাধা দেয়।

নষ্ট করা হচ্ছে ঐতিহাসিক স্মৃতি,

। নীল পচানোর চাতাল, চৌবাচ্চা পাঁচিল আজ তার প্রায় কোনো অস্তিত্বই নেই৷ তার দাবিতে কয়েক ঘন্টা ধরে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয়রা। পাশাপাশি সরর্দার পরিবারে দাবি এই জমি আমাদের সমস্ত রকম নত্রিপত্র আছে আমরা মাটি কাটছিলাম গ্রামের লোকবলা তে আমরা বন্ধ করে দিয়েছি এই জমিতে ভালো কিছু বা পর্যটন কেন্দ্র হলে আমরা ছেড়েদেবো।

প্রযুক্তির আড়ালে ঢাকা পড়ছে বাঁকুড়ার লোকসংস্কৃতির টুসু-ভাদু-ঝুমুর

বাঁকুড়া: একটা সময় ছিল যখন সন্ধ্যা নামলেই শিল্পীসত্তার ভিন্ন সুরে মুখরিত হয়ে উঠত লালমাটির গ্রামের চণ্ডীমণ্ডপ গুলি। জোর কদমে চলত লোকসংস্কৃতির টুসু, ভাদু, ঝুমুরের রেওয়াজ। সেসব দিন আজ অতীত। প্রবাহমান কাল চক্রের আবর্তনে বদলেছে সময়, বদলেছে সমাজ- সংস্কৃতি।
গতির সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে দ্রুত কমেছে রেওয়াজ। প্রতিযোগিতার দৌড়ে টুসু,ভাদু এখন অনেকটাই ব্যাকডেটেড কালচার। তবুও রাঢ় বাংলার প্রাচীন সংস্কৃতির অন্যতম ধারা টুসু গান আজও টিকে বাঁকুড়ার গ্রাম-গঞ্জে। আজও পৌষের ঠান্ডার সন্ধ্যায় কান পাতলে ভেসে আসে কোরাসে টুসু গানের মেঠো সুর। মাঠের ধান ঘরে উঠলে কৃষিনির্ভর পরিবারগুলোতে সমৃদ্ধির পরব টুসু পালিত হয়। CONTINUE READING

RELATED ARTICLES

कोई जवाब दें

कृपया अपनी टिप्पणी दर्ज करें!
कृपया अपना नाम यहाँ दर्ज करें

spot_img

Most Popular

Recent Comments