Saturday, April 20, 2024
- Advertisment -spot_img

গিধনীতে দুঃস্থ পরিবারের পাশে দাঁড়ালো হেলপিং হ্যান্ড ফাউন্ডেশন

জঙ্গলমহল বার্তা ডেস্ক, ঝাড়গ্রাম: দুস্থ পরিবারের পাশে দাঁড়ালো ছাত্রছাত্রীরা। নিজেদের স্বল্প রোজগারের টাকাতেই স্থানীয় দুঃস্থ মানুষদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল ঝাড়গ্রাম জেলার জামবনি ব্লকের ‘হেলপিং হ্যান্ড ফাউন্ডেশন’ (ননরেজিস্টার্ড)- এর সদস্যরা। জানা গেছে, নিজেদের প্রচেষ্টায় ঝারগ্রাম-এর জামবনি ব্লক-এর ছাত্র ছাত্রীরা মিলে এই সংস্থাটি গড়ে তুলেছে মানুষের সাহায্যের জন্য। বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাবার, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস যেমন মোমবাতি, সাবান, তেল ইত্যাদি তুলে দিচ্ছে তারা। এই উদ্যোগে একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করছে কুড়ি জন ছাত্র-ছাত্রী। স্থানীয় মানুষের সহায়তায় ও নিজেদের উদ্যোগেই তারা গত মে মাসের ২৭ তারিখ থেকে এই কাজ শুরু করেছে। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের পাশাপাশি, স্যানিটারি ন্যাপকিন নিয়ে ঘরে ঘরে নানান সচেতন মূলক বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে তারা। দলের অন্যতম সদস্য, রুপসা পানি বলেন, ভবিষ্যতে তাদের আরো অনেক মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়ার ইচ্ছা আছে। এবং তারা তাদের এই লড়াই চালিয়ে যাবেন শত বাধা আসলেও। ভবিষ্যতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে রান্না করা খাবার পৌঁছে দেওয়ার স্বপ্নও দেখছে ‘হেলপিং হ্যান্ড ফাউন্ডেশন’।

 

মানুষের পাশে, মানুষের সাথে

মানুষের পাশে, মানুষের সাথে

 

  আরও খবর                                  

“আমাদের কথা একটু ভাবুন, আমরা খাবো কি?”-রাজ্য সরকারের কাছে সাহায্যের আবেদন করলেন পুরুলিয়া জেলার রঘুনাথপুর এলাকার আটো চালক সংগঠন;

পুরুলিয়া:- করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের পরিস্থিতিতে সংক্রমণ এড়াতে রাজ্য জুড়ে চলছে আংশিক লকডাউন। রাজ্য সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী গণপরিবহন হিসেবে এসময় বন্ধ অটো চলাচল। তার জেরে চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরের জয়চন্ডি পাহাড় রেল স্টেশনের অটো চালকেরা। সংসার ও পেটের টানে একপ্রকার সরকারি নির্দেশিকাকে অমান্য করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাঁরা অটো নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন। কিন্তু সেখানেও বিপত্তি। কারণ এই পরিস্থিতিতে এখন বাতিল রয়েছে অসংখ্য ট্রেন। যার ফলে যাত্রীও মিলছে না তাঁদের। তাছাড়া অনেকে আবার অটোতে চড়তেও চাইছে না। এরকম অবস্থায় সংসার চালাবে কিভাবে এই দুশ্চিন্তা গ্রাস করেছে অটো চালকদের।
অটো চালক শেখ মকসদ জানান, সকাল থেকে যাত্রীর আশায় বসে আছি। পাঁচ ঘন্টায় মোট ১২০টাকা রোজগার। গাড়িতে তেল ভরতে হবে তারপর বাড়ির জন্য খাবারের জোগাড় করা, আর এই সামান্য রোজগারে কি করে চলবে। সরকার আমাদের জন্য চিন্তা করুক। আরেক অটো চালক সমীর কর্মকার বলেন, গাড়ি ব্যাঙ্ক থেকে লোন নিয়ে কিনেছি। লকডাউনের সময় রাস্তায় যাত্রী সহ গাড়ি দেখলে পুলিশের হায়রানি। আবার কখনও তাঁরা মায়া করে ছেড়েও দেন। কি করবো পেটের জ্বালা, ঘরে থাকলে ব্যাঙ্কের লোন কিভাবে শোধ করবো আর খাবই বা কি? তাই জীবনের জ্বালায় অটো নিয়ে বের হয়েছি ট্রেন কম চলার জন্য যাত্রীর সংখ্যাও কম। তাহলে আমাদের গাড়ি কে চড়বে। রাজ্য সরকার আমাদের অটো চালকদের জন্যও কিছু করুক। সরকারি কোনও নির্দেশ আসছে কিনা তার দিকেই চেয়ে আছে রঘুনাথপুরের জয়চন্ডি পাহাড় রেল স্টেশনের অটোচালকরা।

 

আরও খবর                     

বিরল প্রজাতির পাখি উদ্ধারে স্থানীয়দের উদ্দীপনা চোখে পড়ার মতো ছিল

ছরল প্রজতির লরিস,ম্যাকাও, ও টার্কি জাতীয় পাখি উদ্ধার করে বন দপ্তরের আধিকারিকরা। এই সকল পাখি গুলোকে দেখার জন্য সাধারণ মানুষের উৎসুক ছিল চোখে পড়ার মত। উদ্ধার হওয়া পাখিগুলোকে শারীরিক পরীক্ষা করে আলিপুর চিড়িয়াখানায় পাঠানো হবে বলে জানান রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

 

  আরও খবর             

এখনও কিছু হাত হতাশা রুখছে বাতাসে কাঁপছে প্রাণের স্লোগান

২8 পরগনা: গ্রামের নাম দেবীপুর। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার কুলতলী বিধানসভার ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলির মধ্যে এটিও একটি। ইয়াস ঝড়ের সময়ে গোটা গ্রাম কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাঁধের উপর মাটি ফেলে তাকে উচ্চতায় ও প্রস্থে বাড়িয়ে তুলেও করা যায়নি শেষ রক্ষা। নোনা জলে ডুবেছে পুকুর, ভেড়ি, চাষের জমি, ঘরবাড়ি। শুধুই কি আর্থিক ক্ষতি! পতন ঘটেছে পরিচিত জীবন ছন্দের। নোনা জলে নষ্ট হওয়া ফসল, ঘরবাড়ি, ছটফট করতে থাকা পুকুরভরা মাছের সাথে সাথেই মরেছে অগণিত মানুষের স্বপ্ন। পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে “মনুষ্যসেবা” -র নাম করে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ ও বিভেদের বিষবাষ্প ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে নেমে পড়েছে মানুষের মুখোশ পরিহিত একদল অমানুষ। গ্রামের পরিস্থিতি ঘুরে ফিরে দেখে, স্থানীয় মানুষজনের সাথে কথাবার্তা বলে ফেরার পালা। সূর্য তখন তার শেষ কিরণটুকু পৃথিবীর বুকে ঢেলে দিয়ে ঢলে পড়ছে পশ্চিমে। সেদিক থেকেই ভেসে আসছে মাগরিব এর নামাজের ধ্বনি। চারপাশে ইতস্তত ছড়িয়ে থাকা ধ্বংসস্তূপের পাশেই ঠাকুর ঘরে আটপৌরে শাড়ি পরিহিতা এক ছায়ামূর্তির, মাটির প্রদীপ নামিয়ে রেখে মুখে তুলে নেওয়া শাঁখের আওয়াজ মিশে যাচ্ছে সেই ধ্বনির সাথে। সুরের সাথে সুরের মিলনে আকাশে-বাতাসে, লতায়-পাতায় ধরা গোধূলি রঙ হয়ে উঠেছে সজীব। ঝড়ে বিপর্যস্ত অভুক্ত মানুষের মধ্যে বিভাজন ছড়াতে চাওয়া অমানুষ’দের জন্য এই চিত্র যেমন চেতাবনির বার্তাবাহক তেমনই এই পৃথিবীটাকে নতুন করে সাজাতে চাওয়া আমাদের মতো বোকাদের জন্য এই টুকরো চিত্রগুলোই আশায় বুক বাঁধার অকৃত্রিম হাতিয়ার।

RELATED ARTICLES

कोई जवाब दें

कृपया अपनी टिप्पणी दर्ज करें!
कृपया अपना नाम यहाँ दर्ज करें

spot_img

Most Popular

Recent Comments