Saturday, April 20, 2024
- Advertisment -spot_img

ওমিক্রণ আতঙ্ক! ঝুঁকি এড়াতে দরজা বন্ধ করল সিকিম।

শিলিগুড়ি:- করোনার দ্বিতীয় ঢেউরের পরিস্থিতি স্বভাবিক হতেই এবার নতুন আতঙ্ক ওমিক্রণের ! আর তাই সংক্রম রুখতে ঝুঁকি না নিয়ে আগেভাগেই বিদেশি পর্যটকের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করল সিকিম সরকার। সিকিম সরকারের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তরফে ৩০ নভেম্বর একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে ওই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পর্যটনে বড় ধাক্কা মনে করছে পর্যটন ব্যবসায়ীরা। করোনার কারনে দীর্ঘদিন এমনিতেই উত্তরবঙ্গের পর্যটন শিল্প ধাক্কা খেয়েছে। তবে দ্বিতীয় ঢেউয়ের পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতেই ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরছিল উত্তরের পর্যটন শিল্প।

তবে আবার নতুন করে করোনার ওমিক্রণের ভেরিয়ান্টের আতঙ্কে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে উত্তরের এই ধোঁয়াহীন শিল্প। এমনিতেই এই সময়টা উত্তরবঙ্গ এবং সিকিমে পর্যটনের মরশুম। ইতিমধ্যে সিকিমে আনাগোনা শুরু হয়েছে দেশের পাশাপাশি বিদেশের পর্যটকদের। উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি সিকিমের পর্যটন সার্কিট মিলিয়ে প্রায় আট থেকে দশ শতাংশ বিদেশি পর্যটকরা এসে থাকে। তবে এই ভরা পর্যটন মরশুমে বিশ্বজুড়ে করোনার ওমিক্রণ ভেরিয়ান্টের আতঙ্ক দেখা দিতেই ঝুঁকি এড়াতে আগেভাগে বিদেশি পর্যটকদের জন্য দরজা বন্ধ করল সিকিম সরকার। ইতিমধ্যে এই মর্মে একটি নির্দেশিকা জারি করেছে সিকিমের স্বরাষ্ট্র দপ্তর।

ওমিক্রণ আতঙ্ক! ঝুঁকি এড়াতে দরজা বন্ধ করল সিকিম।

আরও খবর: এক লাফে দাম বাড়ল JIO প্রিপেড প্ল্যানের, চিন্তায় গ্রাহকরা

ওমিক্রণ আতঙ্ক!

আর এতে উত্তরবঙ্গ সহ সিকিমের পর্যটনে বড়সড় ধাক্কা বলে মনে করছে পর্যটন ব্যবসায়ী মহল। ভরা পর্যটন মরশুমে সিকিমে এই মুহুর্তে উত্তর আমেরিকা, ডাচ, ইউক্রেন, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া সহ আরও বিভিন্ন দেশের পর্যটকরা রয়েছেন। ওই নির্দেশিকা জারি হতেই তাদেরও ধীরে ধীরে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে বিদেশি পর্যটকের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলেও ভীন রাজ্যের পর্যটকদের প্রবেশে সেরকম কোন নিষেধাজ্ঞা থাকছে না বলেই জানা গেছে।

সিকিম সরকারের তরফে খবর ভীন রাজ্যের পর্যটকদের প্রবেশে করোনার দুটো ডোজ অথবা একটি ডোজের সঙ্গে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে করে থাকা আরটিপিসিআর নেগেটিভ রিপোর্ট জমা দিলেই প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে ছাড়পত্র। হিমালয়ান হসপিটালিটি ট্রাভেল ডেভলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, “এমনিতেই করোনার কারনে উত্তরবঙ্গের পর্যটন শিল্পে অনেকটাই ক্ষতি হয়েছে। তার ওপর আবার নতুন ভেরিয়ান্টের আতঙ্ক। তবে এটা একটা বড় ধাক্কা বটে।

কিন্তু মানুষের স্বার্থে ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিকিম সরকার। আপাতত সিকিমে কোন জায়গাতেই বিদেশি পর্যটকের প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। যারা আগে থেকে সিকিমে রয়েছে তাদেরও ধীরে ধীরে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আমরা চাই দেশের পর্যটকরা দেশেই ঘুরুক। আর আমরাও সেই দিকেই জোর দিচ্ছি” ।

RELATED ARTICLES

कोई जवाब दें

कृपया अपनी टिप्पणी दर्ज करें!
कृपया अपना नाम यहाँ दर्ज करें

spot_img

Most Popular

Recent Comments