Friday, May 31, 2024
- Advertisment -spot_img

আরও ভয়ঙ্কর তৃতীয় ঢেউ, আছড়ে পড়বে ভারতে

শান্তনু দত্ত, কলকাতা: গত বুধবার (২৫ আগস্ট) এক দৌড়ে দেশে করোনা (Corona) লেখচিত্র বেড়েছিল ৫০ শতাংশ। এবং ঠিক পরের দিনই অর্থাৎ বৃহস্পতিবার (Thursday) (২৭ আগস্ট) কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুসারে গত ২৪ ঘণ্টায় ২০ শতাংশেরও বেশি বাড়ল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ। সামান্য কমলেও দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা রইল ৬০০ র ওপরেই। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health) বৃহস্পতিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬ হাজার ১৬৪ জন ভারতে করোনায় আক্রান্ত (Infected with corona) হয়েছেন।

আরও ভয়ঙ্কর তৃতীয় ঢেউ, আছড়ে পড়বে ভারতে

আরও খবর: Nusrat Jahan: ফুটফুটে পুত্র সন্তানের জন্ম দিলেন নুসরত জাহান, মা হলেন অভিনেত্রী

একদিনে মৃত্যুর সংখ্যা ৬০৭। একদিকে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের চোখ রাঙানি। আর তার সঙ্গে সঙ্গে এই উত্তরোত্তর বৃদ্ধি। স্বাভাবিকভাবেই ভয় ধরাচ্ছে মানুষকে। সম্প্রতি কেরলে দেখা গেছে, ওনাম উতসবের পরে চড়েছে করোনাগ্রাফ (Corona graph)। তাহলে শুরু হয়ে গেল থার্ড ওয়েভের চোখ রাঙানি? করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় বেসামাল হয়ে গিয়েছিল দেশ। সবে যখন সংক্রমণ কিছুটা কমছে, তখনই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে, থার্ড ওয়েভের আশঙ্কা।

ভয়ঙ্কর তৃতীয় ঢেউ, ছবি: Google

কিন্তু, কোথায় সচেতনতা? রাস্তা-ঘাট, দোকান বাজার, অনেকেরই মুখে নেই মাস্ক। শিকেয় উঠেছে করোনা বিধি। চিকিত্সব দীপ্তেন্দ্র সরকার জানালেন, এখনই সতর্কতা না বাড়ালে কোনও উপায় নেই। ভয়ঙ্কর অভিঘাত নিয়ে আছড়ে পড়বে করোনার থার্ড ওয়েভ। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪ লক্ষ ৩৬ হাজার ৩৬৫ জনের। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ২৫ লক্ষ ৫৮ হাজার ৫৩০। অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩ লক্ষ ৩৩ হাজার ৭২৫। এরই মধ্যে করোনাকে জয় করে সুস্থ হয়েছেন, ৩ কোটি ১৭ লক্ষ ৮৮ হাজার ৪৪০ জন। একদিনে ৩৪ হাজার ১৫৯ জন সুস্থ হয়েছেন।

আরও খবর: ঝাড়গ্রামে দুই নাবালিকাকে অপহরণের অভিযোগ দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে

তৃতীয় ঢেউ নিয়ে আশঙ্কা এখনও কাটেনি। এই পরিস্থিতিতে বড় দাবি করলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-র প্রধান গবেষক সৌমা স্বামীনাথন। তিনি দাবি করেছেন, ভারত হয়তো ‘এন্ডেমিক’ পর্যায়ে পৌঁছচ্ছে যেখানে সংক্রমণ কমে গিয়েছে।এই পর্যায় মহামারীর পর্যায়ের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এখানে ভাইরাসকে নিত্যসঙ্গী করেই সাধারণ মানুষ বাঁচতে শিখে যান। অর্থাৎ করোনা অতিমারির শেষ হওয়ার পথে প্রথম ধাপ। সৌমা জানান, আমরা এন্ডেমিসিটির পর্যায়ে যেতে পারি, যেখানে সংক্রমণ অনেক কমে যাবে এবং ভাইরাসের প্রভাবও কমবে।

ভয়ঙ্কর তৃতীয় ঢেউ

গত কয়েকমাস আগেও যেভাবে করোনা সংক্রমণ ঘটছিল, তা হয়তো আর ঘটবে না।তিনি আরও বলেন, ‘ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের বাসিন্দাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বিভিন্ন ধরনের। ফলে সেই দেশের করোনা সংক্রমণ কখনও বাড়ছে, কখনও কমছে।’ তবে আশার কথা শুনিয়েও সাধারণ মানুষকে সতর্ক করেন তিনি। বলেন, ‘ভারতের যে অংশে করোনার প্রথম এবং দ্বিতীয় ঢেউ সেভাবে প্রভাব বিস্তার করেনি আগামী কয়েকমাসে সেখানে সংক্রমণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘২০২২ সালের মধ্যে আমরা ৭০ শতাংশ টিকাকরণ শেষ করে ফেলতে পারব।

এরপরেই দেশগুলি আবার স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে যেতে পারবে। ‘ করোনার তৃতীয় ঢেউ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কবে করোনার তৃতীয় ঢেউ আসবে, তা আগে থেকে বলা অসম্ভব। কিন্তু বিভিন্ন উপাদানের উপর ভিত্তি করে আগে থেকে আন্দাজ করা যেতে পারে।’ করোনা মুক্তির জন্য টিকাকরণে জোর দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।

RELATED ARTICLES

कोई जवाब दें

कृपया अपनी टिप्पणी दर्ज करें!
कृपया अपना नाम यहाँ दर्ज करें

spot_img

Most Popular

Recent Comments